ছুপ ছুপ বৃষ্টির দিনে বাতাসে ভেসে আসা কাঁচা মাটির গন্ধে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। সাথে যদি হঠাৎ করে হুট করেই গোলাপ, বেলি কিংবা কোনো কচি কলির সুবাসে চারদিক ভরে ওঠে কেমন লাগবে বলতে পারেন? নিঃসন্দেহে এক মোহময় আবেশে ভরে যাবে আপনার চারপাশ। কদিন ধরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে। ভেজা চারপাশ,ভেজা ঠাণ্ডা বাতাস, মাঝে মাঝে শীতের আমেজ ছুঁয়ে যায় থেকে থেকে। কাজের ঝামেলায় অনেকদিন বৃষ্টি উপভোগ করা হয়নি। আমি আবার লেখালেখি করি, আমার প্রিয় কাজ। লেখালেখির মানুষের বৃষ্টির দিনের প্রিয় অনুষঙ্গ কি জানেন? ধোঁয়া ওঠা চা, ফুলের ঘ্রাণ আর গুনগুন…গুনগুন… প্রিয় কাজটা যখন প্রফেশন হতে যায় তখন সেটা উপভোগের সুযোগ কমে যায়, বেড়ে যায় ব্যস্ততা, চাপ,দায়িত্ব। আজ সবকিছু একটু নতুন করে উপভোগ করতে মন চাইল। জানালাটা হালকা খুলে দিয়ে গরম এক কাপ চা করে আনলাম। কিন্তু এই শহর বাড়িতে এত সহজে ফুলের ঘ্রাণ কোথায় পাব? নিজে গাছ না লাগালে শহর এলাকায় গাছ-গাছালি, ফুলের ঘ্রাণ মেলা বড়ই ভার। হঠাৎ মাথায় বিদ্যুতের মতো বুদ্ধি খেলে গেল। হাতের কাছে থাকা ছোটো বোনের Beli (বেলি) আতরটার শিশির ছোট্ট বলটা সরিয়ে বিছানায় ছিটকে দিলাম খানিকটা। আর তাতেই ঘরময় এত এত সুঘ্রাণ। বেলি ফুলের গাঢ় ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে গোটা ঘর। চোখ বন্ধ করে চায় চুমুক দিতেই মনে হলো পায়ের নিচে যেন বৃষ্টিভেজা ঘাসে থোকা থোকা বেলি মাড়িয়ে যাচ্ছি। অন্তরাত্মা এক স্বর্গীয় অনুভুতিতে আটকে গেল। আপুদেকে এমন সব মিষ্টি মুহূর্ত উপহার দেবার জন্য Sreezon (সৃজন) এর আরেকটি ফ্লোরাল সুগন্ধি Beli (বেলি)। কাঁচা বেলি আতরের তুলনায় এই আতরটা একটু কড়া বৈকি। তবে মাথা ধরানো কড়া আবার নয় কিন্তু। আতরটার কড়া ঘ্রাণটা হালকা হতে হতে বেশ ২-৩ দিন কাপড়ে লেগে থাকে।